বুধবার  ১২ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং  |  ২৮শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ  |  ৫ই রবিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী

মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শেষ

ডিএ: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল আবেদন শুনানির আজ শনিবার শেষ হয়েছে। এদিন ২৩৩টি আবেদনের নিষ্পত্তি করেছে নির্বাচন কমিশনে (ইসি)। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) মোট ৫৪৩ জন আপিল করেছেন। এর মধ্যে গত বৃহস্পতি ও গত শুক্রবার দুইদিন ৩১০ জনের আপিল আবেদনের শুনানি নিষ্পত্তি করা হয়। আপিল শুনানীতে দুই দিনে ১৫৮ জন প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন। বাতিল বা খারিজ হয়েছে ১৪১ জনের আপিল। বাকি ১১টি আবেদন স্থগিত রাখা হয়। প্রথম দিন বৃহস্পতিবার ১৬০ জনের আবেদনের শুনানী শেষে ৮০ জন প্রার্থীর আবেদন গ্রহণ করে তাদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়, রিটার্নিং কর্মকর্তার মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে ৭৬ জনের আবেদন খারিজ করে এবং ৪ জন প্রাথীর আবেদন স্থগিত করা হয়। দ্বিতীয় দিন গত শুক্রবার ১৫০ জনের শুনানী শেষে ৭৮ জন প্রার্থীর আবেদন গ্রহণ করে তাদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়, রিটার্নিং কর্মকর্তার মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে ৬৫ জনের আবেদন খারিজ করে এবং ৭ জন প্রাথীর আবেদন স্থগিত করে ইসি। আপিল আবেদনের ওপর শনিবার শেষ দিনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এদিন ৩১১ থেকে ৫৪৩ নম্বর পর্যন্ত অর্থাৎ ২৩৩ জনের আপিল আবেদনের শুনানি হয়। সকাল ১০টায় নির্বাচন কমিশন ভবনের অস্থায়ী এজলাসে এ শুনানী শুরু হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী আপিল শুনানী করছেন। ইসি সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদও উপস্থিত ছিলেন। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী, ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ও মির্জা আব্বাসের মনোনয়ন বিষয়েও এদিন শুনানি হয়। ২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে ২ হাজার ২৭৯টি মনোনয়নপত্র বৈধ ও ৭৮৬টি বাতিল ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। রিটার্নি কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা গত ৩ ডিসেম্বর ৮৪টি, ৪ ডিসেম্বর ২৩৭টি এবং গত শুক্রবার শেষ দিনে ২২২টিসহ মোট ৫৪৩টি আবেদন দায়ের করেন। আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ৯ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেয়ার পর থেকে প্রার্থী ও তার সমর্থকরা নির্বাচনী এলাকায় প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন।

একটি প্রতি উত্তর ট্যাগ

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত *

*

WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com