সোমবার  ২২শে এপ্রিল, ২০১৯ ইং  |  ৯ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ  |  ১৭ই শাবান, ১৪৪০ হিজরী

মানবতাবিরোধী অপরাধ: গাইবান্ধার ৯ জনের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ

ডিএ: একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গাইবান্ধার নয়জনের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। আসামিদের মধ্যে মো. মোফাজ্জল হক প্রধান ওরফে মোফা (৮২), মো. সেকেন্দার আলী (৬৬), মো. আবদুল করিম (৬৩), মো. ইসমাইল হোসেন (৭০), মো. আকরাম প্রধান (৬৮) ও মো. হাফিজার রহমান (৬৪) কারাগারে আছেন। পলাতক আছেন মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন ওরফে মো. সরফ উদ্দিন খান (৬৪), মো. সামছুল ইসলাম খান (৬৪) এবং মো. আবদুল মান্নান (৬৪)। গতকাল সোমবার রাজধানীয় ধানম-িতে তদন্ত সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে ১৮১ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেন তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক মো. হান্নান খান। আসামিদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে অপহরণ, আটক, নির্যাতন, হত্যা, লুণ্ঠন, ধর্ষণের চারটি অভিযোগ তদন্ত প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। ২০১৮ সালের ৩০ জানুয়ারি শুরুর পর গতকাল সোমবার এ মামলার তদন্ত কাজ শেষ হয়। তদন্তে ২৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। ১৯৭১ সালেল ১০ মে থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত আসামিরা গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থানাধীন কাটাবাড়ীর ইউনিয়নের ১০ নম্বর কাটাবাড়ী ও ৭ নম্বর কাটাবাড়ী গ্রাম এবং মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের শ্রীপতিপুর ও বালুয়া গ্রামে মানবতাবিরোধী অপরাধ করে। আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো হলো-
১ নম্বর অভিযোগ- ১৯৭১ সালের ১০ মে আসামিরা কাটাবাড়ী ইউনিয়নের ৭ নম্বর কাটাবাড়ী গ্রামের জিয়া ম-ল, মনা ম-ল ও ওমেছ ম-লকে আটক, অপহরণ, নির্যাতন, জবাই করে হত্যা করে এবং লুণ্ঠন চালায়। এরপর জিয়া ম-লের ছেলে আবদুর রশীদ ও আবদুল জোব্বার এবং কাঁঠালবাড়ী উত্তরপাড়ার মো. আজিজার রহমানকে আটক, অপহরণ ও নির্যাতন করে।
২ নম্বর অভিযোগ- ১৯৭১ সালের ২২ জুলাই আসামিরা গাইবান্ধা জেলার বালুয়া গ্রামের মো. ইউনুস আলী আকন্দের বাড়িতে তাঁর স্ত্রীসহ দুজনকে ধর্ষণ করে।
৩ নম্বর অভিযোগ- ১৯৭১ সালের ৩ আগস্ট রাতে আসামিরা গোবিন্দগঞ্জের শ্রীপতিপুর গ্রামের আবদুল কাদের সরকার, আবদুস সোবহান আকন্দ ও এমাদ উদ্দিন আকন্দকে আটক, অপহরণ, হত্যা ও শ্রীপতিপুর গ্রামের একজনকে ধর্ষণ করে।
৪ নম্বর অভিযোগ- ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর আসামিরা গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের ১ নম্বর কাটাবাড়ী গ্রামের দেলোয়ার হোসেন ওরফে দুলাল এবং শাহজালাল মিয়া ওরফে ঝালু মিয়াকে আটক, অপহরণ, হত্যা ও লুণ্ঠন করে।

একটি প্রতি উত্তর ট্যাগ

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত *

*

WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com