বুধবার  ২৬শে মার্চ, ২০১৯ ইং  |  ১৩ই চৈত্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ  |  ১৯শে রজব, ১৪৪০ হিজরী

মার্চে পাঁচ ধাপে উপজেলা নির্বাচন, তফসিল ফেব্রুয়ারিতে

ডিএ: পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন মার্চের প্রথম থেকে ধাপে ধাপে সম্পন্ন করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ ক্ষেত্রে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে তফসিল। নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে আজ সোমবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ এ তথ্য জানান। ইসি সচিব বলেন, পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে। মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে ধাপে ধাপে বিভাগ অনুযায়ী ভোটগ্রহণ করা হবে। যেহেতু সামনে এসএসসি, এইচএসসি পরীক্ষা ও রমজান সেহেতু তিনটি বিষয় মাথায় রেখে প্রশাসনিক বিভাগ অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠানে আমরা সব তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছি। আশা করছি, ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বিস্তারিত তফসিল ঘোষণা করতে পারবো। হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, প্রশাসনিক বিভাগ অনুযায়ী আগে-ভাগে যেসব বিভাগের উপজেলাগুলো মেয়াদ পূর্ণ করবে সেগুলো আগে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। আর যেগুলো পরবর্তীকালে পূর্ণতা পাবে, সেগুলোতে গুচ্ছ আকারে পরবর্তীকালে নির্বাচন করবো। আমরা আশা করছি, আট বিভাগে চার ধাপে আর যেগুলো পরবর্তীতে মেয়াদপূর্ণ করবে, সেগুলো একসঙ্গে করবো। ২০১৪ সালের চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সাত ধাপে সম্পন্ন করেছিল নির্বাচন কমিশন।
এদিকে, জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের তফসিল আগামি ১৭ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, সংবিধানের ৬৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ৫০টি আসন নির্ধারণ করা আছে। যারা রাজনৈতিক দল আছে, তাদের আমরা চিঠি দিয়ে অবহিত করবো। মহিলা আসনের নির্বাচনের জন্য অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তারা জোট করবে কি না, সেটা আমাদের অবহিত করার জন্য চিঠি পাঠাবে। এবং যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী, এটা আমাদের ৩০ জানুয়ারির মধ্যে আবশ্যিকভাবে অবহিত করবে যে, তারা এককভাবে থাকবে নাকি জোটগত ভাবে থাকবে। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন নির্দেশনা দিয়েছে, ৩০ জানুয়ারির মধ্যে আমরা যখন জানতে পারবো, তারা কিভাবে নির্বাচন করবে, এরপর আমরা ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটার তালিকা প্রণয়ন করবো। ১৭ ফেব্রুয়ারি তফসিল ঘোষণা হবে। বিস্তারিত তফসিলে মনোনয়নপত্র দাখিল, মনোনয়নপত্র বাছাই ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় জানা যাবে।
অন্যদিকে, সদ্য প্রয়াত সংসদ সদস্য ও সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশারাফুল ইসলামের শূন্য আসনের নির্বাচন ঝুলে গেলো। আইনি জটিলতার কারণে কিশোরগঞ্জ-১ আসন এখনো সংসদ সচিবালয় বা নির্বাচন কমিশন শূন্য ঘোষণা করতে পারেনি। তাই সংসদ সচিবালয় থেকে বিষয়টি নিয়ে অবহিত হওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) হেলালুদ্দীন আহমদ। হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রী এবং সংসদ সদস্য সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম গত ৩ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে ওই আসনটি এখন বর্তমানে শূন্য আছে। যেহেতু তিনি শপথ গ্রহণ করেননি এব গেজেট নোটিফিকেশন হয়ে গেছে স্বাভাবিকভাবেই এখানে আইনগত জটিলতা আছে। কমিশন বলেছে যে, সংসদ সচিবালয়ে থেকে বিষয়টি অবহিত হওয়ার পর তফসিল ঘোষণা করা হবে। সুতরাং কমিশন কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি। সংসদ সচিবালয় থেকে বিষয়টি অবহিত করার পর তফসিল ঘোষণা করা হবে।

একটি প্রতি উত্তর ট্যাগ

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত *

*

WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com