ডিএ: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গনে শত শত বসতবাড়ি আাবাদী জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।  জানা গেছে, গত ১৭ দিন থেকে কাপাসিয়া ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীতে তীব্র  স্রোত দেখা দিয়েছে। সেই সাথে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ ভাঙ্গন। ভাঙ্গনে এ পর্যন্ত ৬ শতাধিক বসতবাড়ি, কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও শত শত হেক্টর আবাদী জমি ভাঙ্গনে নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙ্গন কবলিত এলাকা গুলো হচ্ছে কাপাসিয়া ইউনিয়নের পাগলাপাড়, টোনগ্রাম, খলিফাপাড়া, লাল চামার, কাজীপাড়া, ভাটিকাপাসিয়া, উজান বুড়াইল, ভাটি বুড়াইল, বাদামের চর। নদী ভাঙ্গনের স্বীকার হয়েছে উজান বুড়াইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাটি কাপাসিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এছাড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ, কালাইসোনার চর আশ্রয়ন প্রকল্প হুমকির মুখে পড়েছে। নদী ভাঙ্গণ এলাকার শত শত মানুষজন ঘরবাড়ি, গরু ছাগল, হাস, মুরগী আসবাপত্র নিয়ে আত্মীয় স্বজন ও বেড়িবাঁধে আশ্রয় নিয়েছে। অনেকে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন। এদিকে বেলকা ইউনিয়নের বেলকা নবাবগঞ্জ ও কিশামত সদর মৌজা ২টি নদী ভাঙ্গনে বিলীন হওয়ায় ৩ শতাধিক পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। স্থানীয় চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন আহম্মেদ ও চেয়ারম্যান ইব্রাহিক খলিলুল্লাহ্  সাথে কথা হলে তারা জানান,  এ পর্যন্ত কয়েক দফা নদী ভাঙ্গনে ৪নং, ৫ নং ও ৬ নং ওয়ার্ড নদী ভাঙ্গনে বিলীন হয়েছে। ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় এ পর্যন্ত সরকারিভাবে কোন ত্রাণ সামগ্রী পৌছেনি। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম গোলাম কিবরিয়া জানান, নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের তালিকা প্রণয়ন করে জেলা প্রশাসকের নিকট প্রেরণ করা হবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে