আইটি: নতুন অর্থবছরের বাজেটে (২০১৯-২০) ব্যাংকিং কার্ডের শুল্কহার আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। সর্বশেষ গেজেট অনুযায়ী, ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ কার্ডের শুল্কহার প্রতি কার্ডে শূন্য দশমিক ৭০ ডলার, ইএমভি চিপ কার্ডে ২ ডলার এবং ডুয়াল ইন্টারফেস কার্ডে ২ দশমিক ৫ ডলার করে বেড়েছে। এর ফলে কার্ডের দাম ২০০ থেকে ৩০০ শতাংশ বেড়ে যাবে।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে বর্তমানে তিন ধরনের কার্ড চালু আছে। এগুলো হলো ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ কার্ড, ইএমভি চিপ কার্ড ও ডুয়াল ইন্টারফেস কার্ড।
বাংলাদেশ পর্যায়ক্রমে নগদ টাকার পরিবর্তে কার্ড বা ডিজিটাল ওয়ালেটের দিকে ঝুঁকছে। কিন্তু এভাবে দাম বাড়ার কারণে ডিজিটাল এই যাত্রায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে। কোনা সফটওয়্যার ল্যাব লিমিটেড গত কয়েক বছর ধরে এ ধরনের ব্যাংকিং কার্ডের জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার তৈরি করছে। কোনা সফটওয়্যার ল্যাব লিমিটেড হলো দক্ষিণ কোরিয়ান স্মার্ট কার্ড শিল্পের পথপ্রদর্শক কোনা ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিমিটেডের একটি শাখা।
প্রতিষ্ঠানটি স্মার্ট কার্ড উৎপাদন, পেমেন্টের বিভিন্ন ধরন উদ্ভাবন, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় পর্যায়ের অংশীদার এবং গ্রাহকদের সুরক্ষা, বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে সুরক্ষিত পেমেন্ট ব্যবস্থা নিশ্চি ছাড়াও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে।
বৈশ্বিক স্মার্ট কার্ড অ্যান্ড সলিউশন ইন্ডাস্ট্রিতে কোনার অভিজ্ঞতা ২০ বছরেরও বেশি। বাংলাদেশের স্থানীয় প্রায় ৩০টিরও বেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক-কে সেবা দিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এই সেবা মূলত কার্ড ও চিপের ক্ষেত্রে দিয়ে যাচ্ছে তারা এবং বাংলাদেশের কার্ড মার্কেটে ভালো একটি মার্কেট শেয়ার ধরে রেখেছে।
কোনা বলছে, কার্ডে উচ্চহারে শুল্ক আরোপ দেশের ব্যাংকিং কার্ড ব্যবহারের সংখ্যা কমিয়ে দেবে। ফলে কার্ড থেকে রাজস্ব আয়ও কমে যাবে। এজন্য কার্ডের ওপর শুল্ক না বাড়িয়ে কার্ড ব্যবহারে জনগণকে আরও উৎসাহিত করা যেতে পারে। এতে মোট কার্ড ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়বে, সরকার আরও বেশি রাজস্ব পাবে। তাহলে উভয় পক্ষই লাভবান হবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে